পাচার বন্ধ আইন অসাংবিধানিক বলে ঘোষণা করল দক্ষিণ কোরিয়ার যৌন কর্মিরা

0

24

 

চলমান যৌন পাচার আইনের পুন:আপিল করল দক্ষিণ কোরিয়ার যৌন কর্মিরা। গত ৯ই এপ্রিল বুধবার এ আপিল করে তারা।“ শোষণ ও ভয়-ভীতি না থাকলে কেউ-ই আক্রান্ত হবেনা” শিরোনামে নামহীন এক নারীর আবেদনে অন্তত ৯০০ নারীর স্মাক্ষর করেন। এসময় তারা “আইনটি নূন্যতম হস্তক্ষেপমুলক নীতি বিরোধী” বলে অভিযোগ করেন। তারা আরো অভিযোগ করেন আইনটি নারীর ব্যক্তি স্বাধীনতার জন্য শাস্তি স্বরূপ।

 

দক্ষিণ কোরিয়ায় যৌন বেচা-কেনা একটি শাস্তিমুলক অপরাধ, এ আইনে সর্বোচ্চ ১ বছরের কারাদণ্ড এবং ৩মিলিয়ন (৩০ লাখ) জারিমানা হতে পারে। এপ্রেক্ষিতে দেখা যায় জামার্ন ও নেদারল্যান্ডস যৌনপেশাকে বৈধতা দিয়েছে।

 

এই বিষয়ে এটাই দক্ষিণ কোরিয়ার প্রথম গণশুনানি।পিটিশনটি দাখিল করার সময় আদালতের বাইরে অন্তত আড়াইশ যৌনকর্মী অবস্থান নেয়, পরিচয় গোপন করার জন্য যাদের সকলেরই চোখে ছিল সানগ্লাস। ‍

 

25

 

২০১২ সালে ৪৫ বছর বয়স্ক এক নারী যৌন পাচারের দায়ে অভিযুক্ত হলে মামলাটি শুরু হয়।এসময় এই যৌনকর্মী তার আবেদনে আইনটির সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

 

এ প্রসংঙ্গে নারীদের এটর্নি জেনারেল জিয়ং-গন-ইয়ং ওরফে কিম বলেন , দক্ষিণ কোরিয়ায় স্বল্পপরিসরে যৌনপেশার বৈধতা দেয়া উচিৎ। সমাজকর্মী কিম-কোং-জা ও যৌনব্যাবসাকে বৈধতা দেয়ার পক্ষে কথা বললেন।তিনি বলে নারী-পুরুষ উভয়েরই সমান যৌনসুযোগ থাকা উচিৎ, এমনকি প্রতিবন্ধী একাকী পিতারও।

 

যদিও বিচার বিভাগ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার অধিকাংশ জনগণ যৌনপাচার অবৈধ বলে মনে করে। এই শুনানিতে একজন বিচারক এই আইনকে গণদাবী বলে উল্লেখ করেন।

 

উল্লেখ্য দক্ষিণ কোরিয়ায় ২০০৪ সালে যৌন পাচার বন্ধে আইন করা হয়। আর এবছরের শেষে আইনটি দেশটিতে নিয়মতান্ত্রিকভাবে প্রয়োগের কথা রয়েছে।

Comments

comments

Menu

Koreabashi