দক্ষিণ কোরিয়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলাদেশ উৎসব পালন

0

 

Bangladesh festival korea 2018

 

দেশ থেকে দূরে আছেন বলে দেশীয় সংস্কৃতি থেকে দূরে থাকবেন? একদম নয়, আর এরই দৃষ্টান্ত হল দক্ষিণ কোরিয়ার বাংলাদেশ উৎসব উদযাপন।

চকচকে রৌদ্রজ্জল সাপ্তাহিক বন্ধের সকাল। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রবাসী বাংলাদেশীদের রাজধানী হিসেবে খ্যাত আনসানের ওয়া স্টেডিয়ামে চলছে শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতি। সাউন্ড ইঞ্জিনিয়াররা সাউন্ড সিস্টেম চেক করে নিচ্ছেন শেষ বারের মত। আর স্টেডিয়ামের বাইরে তখন সাজ সাজ রব। চার পাশের রাস্তার ল্যাম্পপোস্টগুলোতে লাগানো হয়েছে বাংলাদেশের পতাকা আর বাংলাদেশের ছবি। আনসান সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে লাগানো হয়েছে এসব পোস্টার। প্রবাসী বাঙালিদের সবচেয়ে বড় অনুষ্ঠান এই বাংলাদেশ উৎসব। প্রতিবছরের মত এবারেও আয়োজন করা হয়েছে বর্নাঢ্য অনুষ্ঠান এবং ঝলমলে বিনোদনে।

 

বাংলাদেশ কোরিয়া ফাউন্ডেশনের আয়োজক সাইফুল ইসলাম বলেন, আমরা বাংলাদেশের সংস্কৃতি চর্চাকে তৃণমূল পর্যায়ে নিয়ে যেতে চাই। আবার তৃণমূলের প্রতিভাকে কেন্দ্রে এনে তা সারাদেশের মানুষের সামনে তুলে ধরতে চাই। কাজটি অনেক কঠিন, আমাদের আর্থিক সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের সংস্কৃতিবান্ধব মানুষ পাশে থাকলে যে কোনো অসাধ্য সাধন করা সম্ভব।

 

 

festival korea 2018

 

বাংলাদেশ কোরিয়া ফাউন্ডেশন (বিএফকে) আয়োজিত উৎসব মাতাতে কোরিয়া এসেছেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় শিল্পীরা। দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস, কমেডিয়ান হারুন কিসিঞ্জার, আইটেম গানের জন্য আলোচিত লেমিস, নতুন প্রতিভা ভেগাবন্ড সজল।

 

 

সকাল থেকে কোরিয়ার বিভিন্ন প্রদেশ থেকে শত শত বাংলাদেশী উৎসবে যোগ দেন। এদের অসাধারণ গান ও নাচে মেলার প্রতিটি মানুষ অনুষ্ঠানের সম্পূর্ণ আয়োজনটা উপভোগ করেন। এছাড়া মেলার মিডিয়া পার্টনার হিসেবে স্পন্সর করেন বাংলাদেশের টেলিভিশন চ্যানেল “এটিএন বাংলা ও কোরিয়াবাসি.কম।” পৃষ্টপোষক হিসেবে ছিল আনসান সিটি কর্পোরেশন, হ্যান পাস, যমুনা ব্যাংক, ঔরস মোবাইল এবং আরো অনেকে। শুধু নাচ গানই নয়, মেলায় আয়োজন করা হয় খাবারের স্টল, ব্যবসায়ী স্টল এবং হস্ত ও কারুশিল্প স্টলের যেগুলো মেলার আবেদন আরও কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়। বলা বাহুল্য যে দক্ষিণ কোরিয়ায় বসবাসরত ও কর্মরত বাঙ্গালীদের একঘেয়ে জীবন যাপনে এই মেলা প্রাণ সঞ্চার করেছিলো।

 

Bangladesh festival 2018

 

উৎসবে বাংলাদেশ থেকে আসা সংগীত শিল্পীদের বিশেষ আকর্ষণ ছাড়াও দক্ষিণ কোরিয়া প্রবাসীদের জন্য বিভিন্ন স্টল রয়েছে। সেখানে উপভোগ করেছে বিভিন্ন ধরণের সুস্বাদু বাংলা খাবার, ব্যাংক সেবা, দেশীয় পণ্য, রেমিটেন্স, মোবাইল সেবাসহ নানা আয়োজন। এছাড়া কোরিয়ার বাংলাদেশী ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো হাত বাড়িয়ে দিয়েছে উৎসবকে সফল করতে।

Comments

comments

Comments

comments

Comments

comments

Comments

comments

Comments

comments

Comments

comments

Menu

Koreabashi