বাংলাদেশিদের গরুর মাংস খাওয়া ঠেকাবে ভারত!

0

cow

 

গরু পাচার রোধে আরও কড়া মনোভাব নিল ভারত সরকার। সীমান্ত দিয়ে যাতে একটি গরুও বাংলাদেশে যেতে না পারে সেদিকে লক্ষ্য রেখেই ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-কে সীমান্ত বরাবর আরও কড়া নজরদারি চালানোর নির্দেশ দিলেন দেশটির গৃহমন্ত্রী রাজনাথ সিং।

 

বুধবার উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার আঙ্গরাইল সীমান্ত পরিদর্শনে এসে বিএসএফ জওয়ানদের উদ্যেশ্যে তিনি একথা বলেন। এর একটায় উদ্দেশ্য বাংলাদেশিরা যাতে গরুর মাংস খাওয়া বন্ধ করে দেয়।

 

গৃহমন্ত্রী বলেন ‘গরু পাচার রুখতে সীমান্তে বিএসএফ জওয়ানদের কড়া পাহাড়ার ফলে বাংলাদেশে সম্প্রতি গরুর মাংসের দাম ৩০ শতাংশ বেড়ে গেছে। আপনারা সীমান্ত বরাবর আরও কড়া পাহাড়ার ব্যবস্থা করুন যাতে গরু পাচার সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। এতে বাংলাদেশে গরুর মাংসের দাম ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ বেড়ে যাবে। যাতে বাংলাদেশে মানুষ গরুর মাংস খাওয়া বন্ধ করে দেয়’।

 

পরে এক সংবাদ সম্মেলনেও গরু পাচার রোধে একই বক্তব্য পেশ করেন গৃহমন্ত্রী। গণমাধ্যমের কর্মীদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘আপনারা দেখে থাকবেন যে জওয়ানদের তৎপরতার ফলে এ বছর সীমান্ত দিয়ে গরু পাচার অপেক্ষাকৃত কম হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই বাংলাদেশে গরুর মাংসর দাম বেড়ে গেছে। আমরা জওয়ানদের বলেছি গরু পাচার রুখতে সীমান্তে নজরদারি বাড়াতে। গরু পাচার রুখতে প্রয়োজনে অন্য রাজ্যগুলির সঙ্গেও কথা বলবেন বলেও জানান তিনি।

 

দেশের সুরক্ষার জন্য ‘এফেকটিভ ম্যানেজমেন্ট’ গঠনের ওপরেও জোর দেন গৃহমন্ত্রী। তার দাবি এই প্রক্রিয়া পুরোদমে চালু করা গেলে সীমান্ত নাশকতাও রোধ করা যাবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সঙ্গেও কথা বলবেন মন্ত্রী।

 

যদিও বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সুসম্পর্ক সুদৃঢ় করতে ভারত সবসময়ই আগ্রহী বলে এদিন তার বক্তব্যে জোর দেন মন্ত্রী। তিনি বলেন ‘বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত ভাল। আমরা চাই এই সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হোক’।

 

বিএসএফ জওয়ানদের ওপর চোরকারবারীদের হামলা প্রসঙ্গে গৃহমন্ত্রী বলেন, এই হামলা রুখতে বাহিনীর জওয়ানদেরই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। যে কোন প্রতিকূল পরিস্থিতিতে তিনি জওয়ানদের পাশেই থাকবেন বলেও তাদের আশ্বস্ত করেন রাজনাথ সিং।

Comments

comments

Menu

Koreabashi